জাইগারনিক ইফেক্ট
অসমাপ্ত কাজগুলো ব্রেইনে লুপ তৈরি করে কগনিটিভ নয়েজ তৈরি করে। রিতুয়ালে লিখে ফেলার মাধ্যমে ব্রেইন মেসেজ পায় কাজটি সুরক্ষিত ট্র্যাকে আছে, ফলে মগজ শান্ত হয়।
মস্তিষ্ক দিয়ে নতুন আইডিয়া চিন্তা করো, তথ্য জমিয়ে রেখো না। rituall প্রতিটি টাস্ক দ্রুত ক্যাচ করে জাইগারনিক লুপ ক্লোজ করতে সাহায্য করে — যেন মাথা হালকা রেখে ফোকাসড হয়ে কাজ করা যায়।
ফ্রি প্ল্যানে আনলিমিটেড টাস্ক · কোনো কার্ড লাগবে না
স্ট্রিক ও কন্ট্রিবিউশন গ্রাফ দিয়ে ডেইলি হ্যাবিট গড়ো।
৯০ দিনের প্ল্যান ফলো করো, প্রতিদিনের স্পষ্ট টার্গেট সহ।
ক্যাটাগরিভিত্তিক খরচ ট্র্যাক করো ও মান্থলি বাজেট সেট করো।
বন্ধুদের সাথে ট্রিপ বা মেসের খরচ অটোমেটিক স্প্লিট করো।
Bluma Zeigarnik (1927) আবিষ্কার করেন যে অসমাপ্ত কাজগুলো ব্রেইনে ঘুরপাক খেতে থাকে। rituall-এ কাজগুলো লিখে ফেললে ব্রেইন শান্ত হয়।
David Allen-এর GTD এর ৫টি ধাপ: Capture, Clarify, Organize, Reflect, Engage। rituall-এ সব কাজ ক্যাচ করা, ডিউ ডেট সেট করা ও এক ড্যাশবোর্ডে রিভিউ করা যায়।
উইলপাওয়ার একটি সীমিত রিসোর্স। রাতে সিদ্ধান্ত নিয়ে রাখলে সকালে ওঠার পর আবার নতুন সিদ্ধান্ত নিতে হয় না, সরাসরি কাজ শুরু করা যায়।
নিউরোসায়েন্টিস্ট Wolfram Schultz দেখিয়েছেন, কোনো প্রেডিক্টেড কাজ শেষ হলে ব্রেইনে ডোপামিন হরমোন নিঃসৃত হয় যা আনন্দের অনুভূতি তৈরি করে।
ফ্রি প্ল্যানে অলওয়েজ আনলিমিটেড টাস্ক রাখতে পারবে। কোনো পেওয়াল নেই।
হ্যাঁ — rituall-এর ড্যাশবোর্ডে হ্যাবিট, প্ল্যান ও টাস্ক একসাথে দেখা যায়। কোনো অ্যাপ সুইচিং করতে হয় না।
আনলিমিটেড টাস্ক, অলওয়েজ ফ্রি। তোমার হ্যাবিট ও প্ল্যানের সাথেই ইন্টিগ্রেটেড।